Monday, July 22, 2024

বাণিজ্যিকভাবে ক্যাপসিকাম চাষে রাশেদুলের সাফল্য!

মাটি ও আবহাওয়া এই সবজিটি চাষের উপযোগী হওয়ায় অধিক ফলন পেয়েছেন। ইতোমধ্যে উৎপাদিত ক্যাপসিকাম বাজারজাত করে তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। তার সফলতা দেখে অনেকেই এই সবজি চাষে আগ্রহী হয়েছেন। পাবনায় বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকাম চাষে সফল রাশেদুল ইসলাম বকুল।

ক্যাপসিকাম চাষি রাশেদুল ইসলাম বকুল পাবনার চাটমোহর উপজেলার মুলগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। তিনি ৩০ শতক জমিতে বিদেশি জাতের এই সবজি চাষ করে এলাকায় বেশ সাড়া ফেলেছেন। তিনি টাইগার ও ইন্দিরা এই দুই উচ্চফলনশীল জাতের ক্যাপসিকাম চাষ করছেন। বিদেশি এই সবজি চাষে তার সফলতা দেখে অনেকেই তার কাছ থেকে চারা সংগ্রহ করে নিচ্ছেন। তিনি অনলাইনের মাধ্যমে এর চাষ দেখে আগ্রহী হন এবং চাষ করে ব্যাপক ফলনও পেয়েছেন।

চাষী রাশেদুল ইসলাম বকুল বলেন, আমি অনলাইনের মাধ্যমে ক্যাপসিকাম চাষ দেখি। তারপর নিজে চাষ করার পরিকল্পনা করি। আমাদের দেশে এটি মিষ্টি মরিচ নামে বেশ পরিচিত। অন্যান্য ফসলের তুলনায় বাজারে বেশি দামে বিক্রি করা যায়। আর লাভবানও হওয়া যায়। তাই এই সবজিটির চাষ শুরু করি। আমি ৩০ শতক জমিতে ৪ হাজার চারা রোপন করেছি। এর চাষে আমার ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আশা করছি প্রায় ১৫০০ কেজি ফলন পাবো। এখন পর্যন্ত দেড় লাখ টাকার বিক্রি করেছি। এছাড়াও আমার এখান থেকে চারা উৎপাদন করেও বিক্রি করতে পারবো। প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আশা করছি ৩ লাখ টাকা আয় করতে পারবো।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অর্জুন কুমার সরকার বলেন, ক্যাপসিকাম এখানো ব্যাপক আকারে জনপ্রিয়তা পায়নি। তবে দেশের আভিজাত হোটেল ও রেস্টুরেন্টে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ভিটামিন-সি সহ অন্যান্য পুষ্টিগুণ রয়েছে। আমরা এর আরো জনপ্রিয় করতে চেষ্টা করছি।

চাটমোহর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এ.এ. মাসুম বিল্লাহ বলেন, এই উপজেলার মাটি ক্যাপসিকাম সহ সকল প্রকার সবজি চাষের বেশ উপযোগী। বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে ক্যাপসিকামের চাষ হচ্ছে। আমরা চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা করছি। স্থানীয়ভাবে এটির বেশি পরিচিতি না থাকলেও আভিজাত হোটেল ও রেস্টুরেন্টে এর বেশ চাহিদা রয়েছে।

এই সম্পর্কিত আরও খবর

সর্বশেষ আপডেট