Sunday, June 16, 2024

২০ লাখে বিক্রি হবে লালচান-কালাচান

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নের কালটিয়া গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে আবু হানিফ ষাঁড় দুটির মালিক। সাড়ে চার বছর লালন পালন করে ষাঁড় দুটি বড় করেছেন। এবারের কুরবানিতে তিনি ষাঁড় দুটি ২০ লাখে বিক্রি করতে চান। লালচান ও কালাচান বাদশার ওজন ৫০ মণ। জাতে শাহীওয়াল ও ফ্রিজিয়ান ক্রস। এ দুটি ষাঁড়ের দাম হাঁকা হচ্ছে ২০ লাখ টাকা। ক্রেতারাও নেমেছেন দরকষাকষিতে। খামারির প্রত্যাশা লালচান ও কালাচান ২০ লাখেই বিক্রি হবে।

আবু হানিফ বলেন, দুবাই থেকে ফিরে বাড়িতে একটি ছোট গরুর খামার গড়ে তুলি। সেই খামারের দুটি গাভীর দুটি বাছুরকে সাড়ে চার বছর ধরে লালন-পালন করে বড় করেছি। তার বড় ছেলে ফয়সাল আহমেদ ষাঁড় দুটির নাম দিয়েছে লালচান ও কালাচান বাদশা। লালচান থেকে কালাচান বাদশা একটু বড় এবং ওজনেও একটু বেশি।

তিনি আরও বলেন, তাদের খাবার মেন্যু রাজকীয়। তাদের নিয়মিত খড়, ভুষি, ভুট্টার আটা, চালের খুদ ও ছোলা বুটসহ চিটাগুড় খাওয়ানো হয়। এছাড়াও কলা, চিড়াসহ দামি খাবার দেয়া হয়। তাদের দুই বেলা গোসল করানো হয়। সদর পশু হাসপাতালের সহায়তা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। গত ১ বছর এ দুটি ষাঁড়ের পিছনে সাত লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, পশু খামার বা ডেইরি ফার্মগুলোর ব্যাপারে সবসময় খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। প্রতিটি এলাকায় ডেইরি ফার্মগুলো দেখভালের জন্য টেকনিশিয়ান রয়েছেন। এছাড়াও গরুর বাজারে মেডিকেল টিম কাজ করবে।

এই সম্পর্কিত আরও খবর

সর্বশেষ আপডেট