Wednesday, May 22, 2024

১৫ হাজার খরচে লতি চাষে বিঘাপ্রতি লাভ ৮০ হাজার!

বারি জাতের কচুর লতি চাষে খরচ কম লাগে। এছাড়াও সারাবছরই লতির চাহিদা থাকায় বাজারদর ভাল থাকে। তাই এখানকার কৃষকরা এই জাতের কচুর লতি চাষে ঝুঁকছেন। এছাড়াও কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের নানা ভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে। ঠাকুরগাঁওয়ে বারি জাতের কচুর লতি চাষে স্বাবলম্বী কৃষকরা।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এনে দেশি জাতের মধ্যে উদ্ভাবিত বারি পানি কচু-১ এবং বারি পানি কচু- ২ চাষের জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে। চলতি বছর এই উপজেলায় ৬ হেক্টর জমিতে বারি জাতের কচুর লতি চাষ করা হয়েছে। এর স্বাদ খুব ভাল হওয়ায় চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।

বারঘরিয়া ব্লকে কৃষক আব্দুল আলীম বলেন, আমি কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০ শতক জমিতে পানি কচু-২ চাষ করেছি। এ জাতের কচু ও লতি দুটোরই ভালো ফলন হয়। স্বাদ অতুলনীয় হওয়ায় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিভিন্ন স্থানের পাইকাররা জমি থেকেই প্রতি কেজি ৭০-৮০ টাকা দরে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। আশা করছি আরো ৬০-৭০ হাজার টাকার লতি বিক্রি করতে পারবো। আমি ইতোমধ্যে জমি থেকে ৩৫ হাজার টাকার লতি বিক্রি করেছি।

লেহেম্বা ব্লকের কৃষক হামিদুর রহমান বলেন, আমি এবার প্রথমবারের মতো পানি কচু-২ চাষ করেছি। অন্যান্য ফসল ও ধানের চাইতে এর চাষ অনেক লাভজনক। আগামীতে আরো বেশি জমিতে এর চাষ করবো। কৃষি বিভাগের প্রকল্পের আওতায় এবং তাদের থেকে পরামর্শ নিয়ে বারি জাতের কচুর লতি চাষ করে লাভবান হচ্ছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, কচুর লতি একটি অর্থকরী ফসল। দেশি বারি জাতের কচুর লতি খুব সুস্বাদু। এতে প্রচুর পরিমানে আয়রন রয়েছে যা মানব দেহের জন্য খুব উপকারি। আর এক মৌসুমে কৃষকরা ৭০-৮০ হাজার টাকা লাভ করতে পারেন। এছাড়াও এর চাষে বিঘাপ্রতি ১০-১৫ হাজার টাকা খরচ হয়।

এই সম্পর্কিত আরও খবর

সর্বশেষ আপডেট