Wednesday, May 22, 2024

১৩ বছর পর ইন্টারকে ফাইনালে তুললেন মার্টিনেজ

দীর্ঘ ১৩ বছর পর দলটি উঠলো চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে। সবশেষ ২০০৯-১০ মৌসুমে এক আর্জেন্টাইন ডিয়েগো মিলিতোর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফাইনালে ওঠে ইন্টার। গতকাল মঙ্গলবার রাতে আরেক আর্জেন্টাইন লাওতারো মার্টিনেজের গোলে ফাইনাল নিশ্চিত হয় মিলানের ক্লাবটির। অবশেষে ঘুচলো ইন্টার মিলানের অপেক্ষার অবসান।

সেমিফাইনালের প্রথম লেগে নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী এসি মিলানের বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতে আগেই ফাইনালে এক পা রেখেছিল ইন্টার। কাল মার্টিনেজের একমাত্র গোলে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-০ গোলের অগ্রগ্রামিতায় ইস্তাম্বুলের টিকিট নিশ্চিত করে সিমিওনে ইনজাগির দল। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে রিয়াল মাদ্রিদ অথবা ম্যানচেস্টার সিটি।

ডার্বি ডেলা ম্যাডোনিনা বা মিলান ডার্বির দ্বিতীয় লেগেও দাপট ছিল ইন্টারের। তবে তাদের দাপটের আগে গোলের দারুণ কিছু সুযোগ তৈরি করে মিলান। ১১ মিনিটে বাইলাইন থেকে তোনালির বাড়ানো বলে ব্রাহিম ডিয়াজ শট নিলেও আন্দ্রে ওনানা ঝাঁপিয়ে বল জালে ঢোকা থেকে ফেরান। ৩৭ মিনিটে আরও ব্যবধান কমিয়ে আনার আরও একটি সুযোগ হাতছাড়া করে মিলান। এবার একক নৈপুণ্যে ইন্টারের ডি বক্সে ঢোকার পর রাফায়েল লিয়োর নেওয়া শট দূরের পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।

মিনিটখানেক পর ইন্টারকে হতাশা উপহার দেন মিলান গোলরক্ষক মাইক মাইগনান। হাকান চালহানাগলুর ফ্রি কিক থেকে মার্টিনেজের ফ্লিক হেডার দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন মাইগনান। সে যাত্রায় মার্টিনেজকে রুখতে পারলেও ৭৩ মিনিটে এই আর্জেন্টাইন গড়ে দেন ম্যাচের ব্যবধান। বাঁ পাশ থেকে কাটব্যাকে তিনি বল বাড়িয়েছিলেন রোমেলু লুকাকুর উদ্দেশে। পরে ফিরতি পাস থেকে দুরূহ কোণে বল জালে পাঠান নেরাজ্জুরি অধিনায়ক। তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় ইন্টারের ফাইনাল।

ইন্টারের সামনে সুযোগ ছিল আরও বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার। মার্টিনেজেই ৭৮তম মিনিটে আবারও পেতে পারতেন গোল। তবে ডি বক্সের বাইরে থেকে তার নেওয়া শট রুখে দেন মাইগনার। এরপর দুই দলের একাধিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে শেষ হাসি হাসে ইন্টারই। এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো কোনো ইউরোপিয়ান কাপের ফাইনালে উঠলো নেরাজ্জুরিরা।

এই সম্পর্কিত আরও খবর

সর্বশেষ আপডেট