Saturday, February 24, 2024

বাম্পার ফলন ও বাজারদরে খুশি সুনামগঞ্জের মরিচ চাষিরা!

অন্যান্য ফসলের তুলনায় মরিচ চাষে খরচ কম ও ফলন বেশি পাওয়া যায়। এছাড়াও সারাবছর কাঁচামরিচের বেশ চাহিদা থাকে। ফলে বাজারদরও ভাল থাকে। কৃষকরা বর্তমানে জমি থেকে পরিপক্ক মরিচ সংগ্রহ করে বাজারজাত করণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বেশি ফলনের পাশাপাশি ভাল বাজারদর পেয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সুনামগঞ্জে মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে।

এবছর সুনামগঞ্জ জেলার ১২টি উপজেলায় ১৭০৮ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। আর ১৭২৬ হেক্টর জমিতে এর চাষ করা হয়েছে। চাষের লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ১৮ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ বেশি হয়েছে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা। এখান থেকে ১০ হাজার মেট্রিক টন মরিচ উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া ভাল থাকায় কৃষকরা মরিচের বাম্পার ফলন পেয়েছেন। কৃষকরা এখন জমি থেকে মরিচ সংগ্রহ করে বাজারজাত করছেন। সেই মরিচ পাইকারদের কাছে প্রতি মণ ৪৩০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। বাজারদর ভাল কৃষকরা লাভবান হতে পারছেন।

ভাতেরটেক গ্রামের নুরুল মিয়া বলেন, এবছর আমি ২ একর জমিতে মরিচের চাষ করেছি। জমিতে ভাল ফলন হয়েছে। তাতে আমি খুব খুশি। ইতোমধ্যে বাজারে ২ লাখ টাকার কাঁচা মরিচ বিক্রি করেছি। বাজারদর ভাল থাকায় লাভবান হতে পারছি। আশা করছি আরো আড়াই লাখ টাকার মরিচ বিক্রি করতে পারবো।

হেলেনা বেগম বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বেশি ফলন পেয়েছি। কষ্ট করে উৎপাদন করা ফসল দেখে খুব ভাল লাগছে। এছাড়াও বর্তমান বাজারদর ভাল থাকায় লাভের মুখ দেখতে পারছি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিমল চন্দ্র সোম বলেন, আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছি। তার পাশাপাশি বাজারদর ভাল পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকরা অধিক ফলন পেয়েছেন।

এই সম্পর্কিত আরও খবর

সর্বশেষ আপডেট