Saturday, February 24, 2024

বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রায় ১০ কোটি টাকার লিচু বিক্রির আশা করছেন!

আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে লিচুর বাগান করেছেন কৃষকরা। ফলন ভালো পাওয়া যায় বলে এই গ্রামের প্রায় শতভাগ মানুষই লিচু চাষের সাথে জড়িত। বর্তমান বাজারদর ভাল থাকায় লাভবান হচ্ছেন বাগান মালিকরা। কিশোরগঞ্জে লিচুর গ্রাম খ্যাত পাকুন্দিয়ার মঙ্গলবাড়িয়ায় লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রায় ১০ কোটি টাকার লিচু বিক্রির আশা করছেন।

মঙ্গলবাড়িয়ার নারান্দী, হোসেন্দী, কুমারপুর এইসব এলাকায় ব্যাপক পরিমানে লিচুর আবাদ হয়েছে। মঙ্গলবাড়িয়ায় ছোট-বড় প্রায় ২০০টি বাগান রয়েছে। আবহাওয়া ভাল থাকায় কৃষকরা ভাল ফলন পেয়েছেন। এছাড়াও লিচুর বাড়তি দর পেয়ে খুশি চাষিরা। এছাড়াও বাড়ির আঙিনায়, রাস্তার পাশে ও রয়েছে লিচুর গাছ। লাল ও গোলাপি রঙের লিচুতে গ্রামগুলো রঙিন হয়ে আছে।

মঙ্গলবাড়িয়ার বাগান মালিক রুবেল বলেন, আমার বাগানে সবগুলো গাছেই প্রচুর পরিমানে লিচু এসেছে। আগে বাজারে নিয়ে বিক্রি করতে হতো। কিন্তু আর তা করতে হয় না। পাইকাররা বাগান থেকেই লিচু সংগ্রহ করে নিয়ে যান। আশা করছি এবছর ১০ লাখ টাকার লিচু বিক্রি করতে পারবো। আরেকজন বাগান মালিক বলেন, এই লিচুর জাতটি চিন থেকে আসা। এর ফলন ও বিক্রি করে লাভবান হওয়া যায় বলে এখন সবাই এর চাষ করছেন। পাইকাররা আমাদের বাগান থেকে সরাসরি লিচু নিয়ে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ দিচ্ছেন। বর্তমানে বললে প্রায় প্রতি ঘরে ঘরেই এর চাষ হচ্ছে।

পাইকার মনসুর আলী বলেন, আমি একজনের কাছ থেকে ১ লাখ ১০ হাাজর টাকায় তার লিচু বাগানটি কিনেছি। ফলন কম পেলেও বাজারদর ভালো থাকায় লাভবান হতে পারছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর-ই আলম বলেন, এই উপজেলার মঙ্গলবাড়িয়া সহ বিভিন্ন গ্রামে লিচুর বাগান রয়েছে। শুধু মঙ্গলবাড়িতেই ২০০টি বাগান রয়েছে। যাতে প্রায় ৮০০০ লিচু গাছ আছে। এখানকার অনেক পরিবারের মানুষ লিচুকে একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে নিয়েছেন। আমরা লিচু চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা করছি। নতুনত্ব ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় কৃষকরা ভাল ফলন পাচ্ছেন।

এই সম্পর্কিত আরও খবর

সর্বশেষ আপডেট