Tuesday, April 23, 2024

পটল চাষে লাভবান কুড়িগ্রামের শতাধিক কৃষক!

কম খরচে বেশি ফলন ও বাজারে আশানুরূপ দামে বিক্রি করে লাভবান হওয়া যায় বলে এখানকার কৃষকরা এর অধিক চাষ করে থাকেন। কুড়িগ্রামের ধরলা নদীর বুকে পটলের ব্যাপক ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। সারাবছর পটলের বেশ চাহিদা থাকে। চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকরা পটলের বাম্পার ফলন পেয়েছেন।

ধরলা নদীর বুকে কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের উত্তর ও দক্ষিণ নওয়াবশ গ্রামজুড়ে ৬০ একর জমিতে প্রায় শতাধিক চাষিরা পটলের চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আশানুরূপ ফলন পেয়ে কৃষকরা খুশি। তবে মাঠে কৃষি কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে চাষিরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মাঝে হঠাৎ বৃষ্টি হওয়ার কারণে কিছুটা ক্ষতি হলেও জমিতে কী’টনাশক ব্যবহার করে কিছুটা রক্ষা পেয়েছেন।

রমজান মাস উপলক্ষ্যে পটলের বেশ চাহিদা রয়েছে। চলতি বছর ৩৯০ হেক্টর জমিতে পটলের চাষ করা হয়েছে। শীতের মৌসুম চলে যাওয়ায় কৃষকরা পুরো রমজান জুড়ে পটল বিক্রি করতে পারবেন। আর খুচরা বাজারে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে চাষিরা ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে পারছেন।

পটল চাষী আমজাদ বলেন, এবছর পটলের চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছি। আর রমজান মাস হওয়াতে পটলের বেশ চাহিদা রয়েছে। গতকাল প্রতি মণ ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি করেছি। আজকে দাম কিছুটা কমে ১ হাজার ৮০০ টাকা মণ বিক্রি হচ্ছে।

উত্তর নওয়াবশ গ্রামের আল আমিন বলেন, গত বছর ১ একর জমিতে পটলের চাষ করেছিলাম। এবছরও করেছি। চাষে প্রায় লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছিল। এবছর তেমন খরচ হয় নি। মাঝে বৃষ্টি হওয়াতে গাছে পোকার আক্রমন হয়েছিল। পোকা দমনে কীটনাশক ব্যবহার করেছি। বর্তমানে পটল তুলে বাজারে বিক্রি করছি। আশা করছি লাভবান হবো।

দক্ষিণ নওয়াবশের পটলচাষী মজনু মিয়া বলেন, কুড়িগ্রাম জেলার মধ্যে আমাদের এখানেই সবচেয়ে বেশি পটলের চাষ হয়।  তবে কৃষি বিভাগের কেউ আসে না। গাছে রো’গবালাই বা পোকামাকড়ের আ’ক্রমন হলে অনেক কোম্পানীর লোকজনব আসেন। এখন পর্যন্ত কেউ আমাদের খবর নেয়নি।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত বলেন, ধরলা নদীর বুকে দিন দিন পটলের চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পটল গাছে রো’গবালাইয়ের বিষয় আমাদের জানালেই আমরা কৃষকদের সাহায্যের জন্য ছুটে যাবো।

এই সম্পর্কিত আরও খবর

সর্বশেষ আপডেট