Tuesday, May 21, 2024

ঘোরের মধ্য ছিলাম, রাত–দিন কীভাবে চলে গেছে বুঝতে পারিনি : তানজিন তিশা

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশার মোটেও ভালো যায়নি গেল বছরটা। যাকে বলে শনির দশা। কাজে দীর্ঘ বিরতি নিয়েছিলেন। একসময় ভেবেছিলেন, হয়তো ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন না। তবে কাজই আবার তাঁকে আলোচনায় এনেছে। এখন নিজের সেই চেনা পথে নিজের মতো করে হাঁটতে চান।

এবার তাঁর নীতি ‘ধীরে চলো’। তাই এখন গল্প, চরিত্রে আলাদা নজর দিচ্ছেন। ঈদের প্রায় এক মাস পরও ঘুরেফিরে শোনা যাচ্ছে ‘নীল অপরাজিতা’র নাম। নাটকে চঞ্চল ও প্রাণবন্ত এক স্কুলছাত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন তানজিন তিশা। নাটকটির প্রস্তাব পাওয়ার পর কিছুটা অবাকই হয়েছিলেন।

কারণ, সেই পাঁচ/সাত বছর আগে তিনি এমন চরিত্র করেছেন। এখন কীভাবে স্কুলছাত্রীর চরিত্র করবেন? নিজের মধ্যেই এই প্রশ্ন ঘুরছিল। পরে একসময় মনে হলো, করলে মন্দ হয় না। প্রস্তুতি হিসেবে প্রথমেই চুল ছোট করেন।

অভিনেত্রী তিশা বলেন, ‘একটি চরিত্রের জন্য এখন পরিশ্রম করতে চাই। “নীল অপরাজিতা”র কথাই যদি বলি, এই নাটকের শুটিং কীভাবে করব, গ্রামের লুকে অনেক দিন পর দর্শক দেখবেন, কী বলবেন—এসব ভাবছিলাম। এমনটা হয়তো আগের কাজগুলোর ক্ষেত্রে তেমন একটা হয়নি। যেকোনো চরিত্র এখন আর করতে চাই না।’

নাটকে তিনি চঞ্চল ও প্রাণবন্ত এক মেয়ে। যে পরে ধ’র্ষণের শিকার হয়। তিশা বলেন, ‘পত্রিকা বা খবরের কাগজে চোখ গেলে প্রায়ই এই চিত্র দেখা যায়। ঘটনাগুলো এমনিতেই আমার মনে দাগ কাটে। কোথাও একটু শূন্যতা তৈরি করে। সেই চরিত্র যখন নিজে করতে যাই, নিজেকে স্বাভাবিক রাখাটা তখন অনেক কষ্টের হয়ে পড়ে। তখন দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘নাটকটির জন্য টানা চার দিন শুটিং করেছি। এ সময় আমি স্কুলছাত্রীই হয়ে গিয়েছিলাম। রাত–দিন কীভাবে চলে যাচ্ছিল, বুঝতে পারিনি। পুরো সময় মেয়েটির জীবনে বয়ে চলা ঝড়, দুঃখ, কষ্টের কথাগুলোই ভাবিয়েছে। একটা ঘোরের মধ্য ছিলাম।’

এই সম্পর্কিত আরও খবর

সর্বশেষ আপডেট