Saturday, February 24, 2024

গরমে চাহিদা বাড়ায় লাভবান গাইবান্ধার শসা চাষিরা

জেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে শুধু শসার ক্ষেত। কৃষকের জমিতে ঝুলছে শসা। গতবছরের তুলনায় এবছর বেশি ফলন হয়েছে। এছাড়াও শসার বর্তমান বাজারদর ভাল থাকায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। চলতি বছর গাইবান্ধার কৃষকরা অধিক পরিমানে শসার চাষ করেছেন।

গাইবান্ধার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বকসিগঞ্জ এলাকার কৃষকরা জমি থেকে শসা তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনেকের জমি থেকেই পাইকাররা শসা নিয়ে যাচ্ছেন। আবার অনেক কৃষকরা নিজেই বাজারে নিয়ে খুচরা বিক্রি করছেন।

বর্তমানে বাজারে পাইকারি প্রতি কেজি শসা ১২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারদর এমন হওয়ায় কৃষকরা লাভ করতে পারছেন। কেননা গত বছর কৃষকরা প্রতি কেজি ৩ টাকা করে বিক্রি করেছেন। পাইকারি বাজারে ১২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও খুচরা বাজারে প্রতিকেজি ১৫-১৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর এবছর অতিরিক্ত গরম হওয়ায় এর কদর বেড়েছে।

ছোটছত্রগাছা গ্রামের কৃষক রুহুল আমিন বলেন, আমি এবছর ১ বিঘা জমিতে শসার আবাদ করেছি। চাষে আমার প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আশা করছি প্রায় ১০০-১৩০ মণ ফলন পাবো। বাজারদর এমন থাকলে আরো বেশি লাভ করতে পারবো। ইতোমধ্যে ৪৫ হাজার টাকার বিক্রি করেছি।

আরেক কৃষক মন্টু সরকার বলেন, গত রমজান মাসে প্রতিমণ শসা ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করা করেছি। তারপর দাম কমে যায়। এখন প্রতিমণ ৪৮০-৫০০ টাকায়ও বিক্রি করছি। দাম এমন থাকলে লাভবান হতে পারবো। বর্তমানে প্রচন্ড গরমের কারণে বাজারে শসার দাম বেড়েছে।

পাইকারি ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি এখন কৃষকদের কাছ থেকে ৪৮০-৫০০ টাকা মণ দরে শসা কিনতেছি। হচ্ছে। এসব শসা ট্রাকের মাধ্যমে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করছি।

জেলা কৃষি বিভাগের উপপরিচালক খোরশেদ আলম বলেন, চলতি বছর গাইবান্ধা জেলায় ৪৫০ হেক্টর জমিতে শসার চাষ হয়েছে। কম খরচে বেশি উৎপাদন ও বাজারদর ভাল থাকায় কৃষকরা লাভবনা হতে পারেন। এছাড়াও কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়াসহ সার্বিক সহযোগিতা করছি। ফলে এখানকার কৃষকদের মধ্যে শসা চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।

এই সম্পর্কিত আরও খবর

সর্বশেষ আপডেট