২০১৯ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার ব্যাখা দিলেন পাপন

বাংলাদেশ ২০১৯ বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নেবে, সোমবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের এমন মন্তব্য দ্বিধায় ফেলে। সেটা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দেওয়ার কারণে। একদিন পর পাপন নিজেই ব্যাখা দিলেন। জানালেন, এই অবস্থা থেকে বাংলাদেশের র‍্যাংকিং সহজে নামবে না, সেক্ষেত্রে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে।

গেল এপ্রিলে বাংলাদেশ ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের ছয় নম্বরে উঠেছে বলে গণমাধ্যমে বলেছিলেন বোর্ড সভাপতি। জানিয়েছিলেন, আইসিসির সভাতেই তাকে এমনটা জানানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইসিসির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়, ছয় নম্বরেই রয়েছে বাংলাদেশ। সেই বক্তব্যের পর সোমবারের বক্তব্য নতুন করে আলোচনায় আনে পাপনকে। তবে এবার নিজের অবস্থান পরিস্কার করলেন তিনি।

মঙ্গলবার ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশের মধ্যকার একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে উপস্থিত হন বিসিবির এই কর্তা। সেখানেই গণমাধ্যমের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।

২০১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল সরাসরি খেলবে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন,  বলেছেন, ‘২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে র‍্যাংকিংয়ে সেরা আটে থাকার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী আমরা। আমি মনে করি এর মধ্যে আমাদের নিচে নামার কোনও সুযোগ নেই। বরং আমরা আরও উপরে উঠতে পারি।’

কোন দলের পারফরম্যান্স বিচারের জন্য সর্বশেষ দুই বছরের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে র‍্যাংকিং তৈরি করা হয়। কেমন হতে পারে সর্বশেষ র‍্যাংকিংয়ের চিত্র, সেটা আগেই তাদের সদস্য দেশগুলোকে জানিয়ে দেয় সংস্থাটি।

সে বিষয়টিকেই সামনে আনলেন পাপন। বললেন, ‘আমাদের ক্যালকুলেশন অনুযায়ী আমরা নিচে নামছি না। কেন না আইসিসির প্রকাশিত ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রামের অধীনে যেসব টুর্নামেন্ট রয়েছে। সেই হিসেবে বাংলাদেশ সরাসরিই খেলবে। সেখানে যদি বাংলাদেশ খুব খারাপ করে তাহলে হয়তো একটু ঝুঁকি থাকবে। তবে আমার মনে হয় বাংলাদেশ যেভাবে খেলছে তাতে করে আমার আশা করতেই পারি।’

এদিকে, বাংলাদেশের এফটিপি বলছে ইংল্যান্ড সিরিজের পর ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে বাংলাদেশ। এরপর শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলার কথা রয়েছে। সঙ্গে মে মাসে আয়ারল্যান্ডে নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের সঙ্গেও তিন জাতির সিরিজ রয়েছে। এছাড়া জুনে রয়েছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি।

এসময় অন্য দেশগুলো এফটিপির বাইরে সিরিজ খেলার আয়োজন করলে কোনও প্রভাব পড়বে কিনা- এমন প্রশ্নে বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘না। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে বাকিদের নিজেদের মধ্যে টুর্নামেন্ট আয়োজন করার সম্ভবনা খুব কম। এজন্যই আমরা আশাবাদী।’ — প্রিয়