হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন তামিম ও মাহমুদুল্লাহ

সাত মাস পর খেলতে নেমে ব্যাটিং মনমত হয়নি বাংলাদেশের। মিডল অর্ডারে ছিল মুশফিক ও সাব্বিরের ব্যর্থতা। তামিম ও মাহমুদুল্লাহ হাফ সেঞ্চুরির পর ইনিংস বড় করতে পারেননি। শেষ দিকে সাকিব ক্যামিও খেললেও দলীয় সংগ্রহ বড় করতে পারেনি বাংলাদেশ।

প্রায় এক বছর আগে যেখানে থেমেছিলেন, ঠিক সেখান থেকেই শুরু করলেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। গত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টাইগারদের শেষ ওয়ানডেতে ৭৩ রানের ম্যাচ সেরা ইনিংস খেলেছিলেন তামিম। মাহমুদুল্লাহও পেয়েছিলেন ফিফটি।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ফিরেই তামিমের ৮০ আর মাহমুদুল্লাহর ৬২ রান বলে দেয় দীর্ঘ বিরতিতে নিজেদের ফর্ম জিইয়ে রেখেছিলেন এ দুই টাইগার ব্যাটসম্যান।

সময় কিংবা ইনজুরি কোনটিই আটকাতে পারেনি টাইগার ওপেনার তামিম ইকবালকে। আফগানিস্তান সিরিজের কিছুদিন আগেই আঙ্গুলে ব্যাথা পেয়েছিলেন টাইগারদের এ ড্যাশিং ওপেনার। তবে ম্যাচের শুরু থেকেই কোনকিছুর প্রভাবই দেখা যায়নি তার স্টাইলিশ ব্যাটিং পারফর্ম্যান্সে।

ইনিংসের শুরুতেই সৌম্যের আউট দায়িত্ব বাড়ায় তামিমের। সাবলীল ভাবেই সে দায়িত্ব পালন করে যান তামিম। কায়েসের সাথে জুটি গড়ে ৬৩ বলেই তুলে নেন নিজের ৩৩তম ফিফটি। আরও একবার সেঞ্চুরি না করতে পারার আক্ষেপ রেখে ফিরতে হয় তামিম ইকবালকে।

তামিম-কায়েস আউট হওয়ার পর ম্যাচের হাল ধরেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ৫ চার ও ২ ছয়ে তার ৬২ রানের ইনিংস সচল রাখে টাইগারদের রানের চাকা।

অপর প্রান্তে প্রস্তুত হচ্ছিলেন সাকিব আল হাসান। মাহমুদুল্লার বিদায়ের পর রানের চাকা রাখার দায়িত্বটা তুলে নেন নিজের কাঁধে। দ্রুত রান তুলতে গিয়ে ফিফটি থেকে দুই রান আগেই ফিরতে হয় সাকিব আল হাসানকে।

সাকিবের ৪০ বলে ৪৮ রানের ইনিংস শেষ হয় বড় শট খেলার নেশায়। বিগ হিটিংয়ে কিছুটা মরচে পড়েছে স্বাগতিক ব্যাটসম্যানদের। সাব্বির ও সৌম্যর মত স্বভাবজাত হিটারদের ব্যর্থতায় পুরো ইনিংসে মাত্র দুটি ওভার বাউন্ডারি পেয়েছে বাংলাদেশ। আর বাউন্ডারি ছিল ২৪টি।