রিচার্ডস-লয়েডদের সঙ্গে যুক্ত হল মাশরাফির নাম

ইংলিশদের বিপক্ষে সম্প্রতি ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হেরে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে টাইগারদের। আর টাইগারদের এই স্বপ্ন ভঙ্গের পাশাপাশি টানা সাতটি ওয়ানডে সিরিজ জয় করার রেকর্ডটিও হাত থেকে ছুটে গিয়েছে। তবে টানা সাতটি সিরিজ জিততে না পারলেও অনন্য একটি রেকর্ডের অধিকারী হয়েছেন টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

২০১৪ সালে বাংলাদেশ ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি দলের  অধিনায়কের দায়িত্ব পান মাশরাফি। এরপর তাঁর হাত ধরেই ঘরের মাঠে টানা ৬টি সিরিজ জিতে নিয়েছে টাইগাররা।

জিম্বাবুয়ে ছাড়াও ভারত,পাকিস্তান ও দক্ষিন আফ্রিকার মতো বড় বড় দলকেও পরাস্ত করেছে টাইগাররা। আর টানা ৬টি সিরিজ জয় করে অধিনায়ক মাশরাফি নাম লিখিয়েছেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তী ভিভ রিচার্ডস ও ক্লাইভ লয়েডদের পাশে।

এখন পর্যন্ত কোন দলের অধিনায়ক হিসেবে টানা সবচেয়ে বেশী ওয়ানডে সিরিজ জয়ের রেকর্ড ক্যারিবিয়ান লিজেন্ড স্যার ভিভ রিচার্ডসের। তার হাত ধরে ক্যারিবিয়ানরা টানা ১০টি ওয়ানডে সিরিজে জয় পেয়েছিল।
এছাড়াও প্রোটিয়া অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথ ৮টি ও আরেক ক্যারিবিয়ান লিজেন্ড ক্লাইভ লয়েড টানা ৭টি ওয়ানডে সিরিজে দলকে জয় এনে দিয়েছেন।

এদিকে অধিনায়ক মাশরাফি বাংলাদেশের হয়ে ঘরের মাঠেই শুধু ৬টি ওয়ানডে সিরিজ জিতেছেন। আর তাই ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ জয়ী অধিনায়কদের তালিকায় বড় বড় ক্রিকেট লিজেন্ডদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন তিনি।

মাশরাফির পর এই তালিকায় আছেন ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ী শ্রীলঙ্কা দলের অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা। তার হাত ধরে ঘরের মাঠে শ্রীলংকা জিতেছে ৪টি ওয়ানডে সিরিজ। এছাড়াও ডাচ ওয়ানডে অধিনায়ক জেরোইন স্মিটস ও রানাতুঙ্গার সমপরিমান টানা ৪টি ওয়ানডে সিরিজ ঘরের মাঠে জিতেছেন।

এছাড়াও দল হিসেবে টানা সবচেয়ে বেশি সিরিজ জয়ী দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নভেম্বর ১৯৮০ থেকে মার্চ ১৯৮৮ পর্যন্ত টানা ১৫টি সিরিজে জয় লাভ করে ক্যারিবিয়ানরা।আর দেশের মাটিতে টানা ১৭টি সিরিজ জয়ী দল দক্ষিণ আফ্রিকা। অক্টোবর ২০০২ থেকে নভেম্বর ২০০৯ সাল পর্যন্ত।

অন্যদিকে উপমহাদেশের দলগুলোর মধ্যে টানা ৭ সিরিজ জয়ের রেকর্ড আছে পাকিস্তানের। পাকিস্তান আরেক দফায় জিতেছে ৬টি সিরিজ, আর ভারত ২ দফায়।