রঙিন হোক প্রেম খেলা

সব কিছুই একঘেঁয়ে৷ সকালে উঠে বাবাইকে স্কুলে পাঠানো৷ বরের জন্য অফিসের টিফিন৷ শ্বশুরের জন্য জলখাবার৷ শাশ্বুড়ির জন্য ঠাকুরের ফুল তোলা৷ উফফ…আর কত? ভাল লাগে না ছাই৷ তার উপর সারাদিন সংসারের পিছনে খাটুনি খেটে, রাতে শুতেই গিয়েই বেডরুমে বরের রাতভোর আবদার৷ সবই যেন একঘেঁয়ে৷

বিয়ের আগে ভেবেছিলাম বরকে পাশে পেয়ে কত কি না করব৷ নথি, পুঁথি ঘেঁটে থিওরি পার্টটাও সেরে ফেলেছিলাম৷ তবে প্র্যাকটিক্যালে সব গেলও৷ বরটাও হয়েছে তেমন নো এক্সপেরিমেন্ট, নো নড়ন চড়ন৷ সেই যেন গতে বাঁধা জীবন৷ উঠল বাই তো কটক যাই টাইপ!

যে কোনও সংসারেই ঘটতে পারে এ ঘটনা৷ এমনিতেই বাঙালি মেয়েরা লাজুক প্রকৃতির নিজেরে যৌনইচ্ছা, ফ্যান্টাসিকে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করেন৷ শেষমেশ, মনে ক্ষোভ জমতে জমতে লাগে অশান্তি৷ বোরিং হয়ে ওঠে জীবন৷ তাই একঘেঁয়ে সেক্স লাইফ কাটাতে না হয় রঙিন করা যাক প্রেমের খেলা৷ কীভাবে? পড়ে নিন উপায়৷

১. প্রেমের খেলাকে মজাদার, এক্সপেরিমেন্টাল করে তুলতে শুধু স্বামী নয়, এগিয়ে আসতে হবে দু’জনকেই৷ তার জন্য প্রথমেই নিতে হবে মানসিক প্রস্তুতি৷ লজ্জাটা ত্যাগ করে এক্সপেরিমেন্টে যেতে ক্ষতি কি? দু’জন ছাড়া আপনাদের পুরনো খেলার নতুন নিয়ম জানবে কে?

২. প্রেমের খেলাকে জম্পেশ রূপ দিতে একটু পকেট হাল্কা করতে হবে৷ কিনতে হবে কিছু প্রপ৷

৩. বিছানায় পেতে ফেলুন রঙিন চাদর৷ এ ব্যাপারে লাল রংকে দিন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব৷ শার্টিনের চাদর হলে তো কথাই নেই৷

৪. খেলার শুরুর আগে বেডরুমকে ভরিয়ে তুলুন মোমের নরম আলো৷ সুগন্ধী মোম হলে তো কথাই নেই৷ খেলা জমে ক্ষীর৷

৫. এক্সপেরিমেন্ট খেলায় গোলাপ ফুল ইজ মাস্ট৷ গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে দিন বিছানায়৷ বহু আগের ফুল শয্যার এফেক্ট না হয় ফের ফিরে আসুক বেডরুম জুড়ে৷

৬. হালকা করে চলুক মিষ্টি সঙ্গীত৷ এব্যাপারে গ্রীন সিগন্যাল দিন ইন্স্ট্রুমেন্টালকেই৷

৭. উপহার দিন দু’জনে, দু’জনকে৷

৮. সেদিন ভুলেও রাতের খাবার বানানোর জন্য স্ত্রীকে রান্নাঘরে যেতে দেবেন না৷ ঘরেই আনিয়ে ফেলুন ডিনার৷

৯. যৌনতাকে উসকে দেবে এরকম নাইট গাউন উপহার দিয়ে চমকে দিতে পারেন স্ত্রীকে৷ গিন্নিরা আপানারও কিন্তু চটকদার অন্তর্বাস কর্তাকে উপহার দিয়ে প্রেমের খেলায় এক গোল আগেই মেরে রাখতে পারেন৷

১০. পুরো ব্যাপারটিই হোক দু’জনের সম্মতিতে ও নিরাপদ৷ আর হ্যাঁ, পাপ্পু, বাবাই, পুচকি একরাত না হয় শুইয়ে দিন শশ্বুর, শাশ্বুড়ি পাশেই৷