ম্যাথিউয়ের তাণ্ডবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮০০!

ম্যাথিউর আঘাতে লন্ডভণ্ড হাইতিতে মৃতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে। শুধু রোচা আ বাতিউ শহরেই নিহত ৫০ জন। জেরেমি শহরের আশি ভাগ ভবন মিশে গেছে মাটির সঙ্গে। জরুরি ত্রাণ তৎপরতায় সরকার উদ্যোগ নেয়নি বলে অভিযোগ তুলেছে ঝড়ে বিপর্যস্ত আরেক দেশ কিউবার জনগণ।

২০১০ সালে স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের কবলে পড়ে হাইতি। সাত মাত্রার ঐ ভূমিকম্পে মুহুর্তেই ভেঙ্গে পড়ে দরিদ্র দেশটির অবকাঠামো। নিহত হয় সরকারি হিসেবে তিন লাখ ১৬ হাজার মানুষ।

ভয়াবহ সেই ভূমিকম্পের ছয় বছর পর আবারো প্রাকৃতির দুর্যোগের কবলে হাইতি। ২৩০ কিলোমিটার গতিবেগে হাইতি, কিউবা ও ডোমিনিকান রিপাবলিকে তাণ্ডব চালায় ম্যাথিউ। ক্যারিবীয় উপকূলে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী এ ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে হাইতি।

ম্যাথিউ চলে যাবার পর হাইতিতে ক্ষয়ক্ষতির আসল চিত্র স্পষ্ট হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে। লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে উপকূলীয় বেশকিছু এলাকা। জেরেমি শহরের আশি ভাগ ভবন মাটির সাথে মিশে গেছে। ধংস হয়েছে সুড প্রদেশের প্রায় ৩০ হাজার বাড়িঘর। গৃহহীন হাজার হাজার মানুষ।

এক ব্যাক্তি জানান সব হারিয়ে আমরা এখন নিঃস্ব। বুঝতে পারছি না কালকের দিনটা কিভাবে কাটবে। আমাদের এখনই সাহায্য দরকার

হাইতির মতোই ম্যাথিউয়ের আঘাতে লণ্ডভণ্ড আরেক দেশ কিউবা। ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতে প্রায় চার লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিলেও ম্যাথিউ পরবর্তি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। জরুরি ত্রাণ তৎপরতায় তেমন কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের। ম্যাথিউয়ে কিউবায় প্রাণহানী না ঘটলেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসংখ্যা স্থাপনা।–independent24