মুরাদনগরে বাল্যবিবাহের বদলে স্কুলে পাঠালেন ইউএনও

মো: ইমন মিয়া, মুরাদনগর, কুমিল্লা: বিয়ের সাজসজ্জা সব কিছুই প্রস্তুত, চলছে খাওয়া-ধাওয়ার ধুম, একটু পরেই বর আসবে বিয়ে হবে, তারপর অষ্টম শ্রেনির ছাত্রী শারমিন আক্তারকে (১৫) পাঠানো হবে স্বামীর বাড়ী। ঠিক তখনি বিয়ে বাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনসুর উদ্দিনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান। শারমিনকে বিয়ের আসর থেকে উঠিয়ে স্কুলড্রেস পরিয়ে স্কুলে নিয়ে জান ইউএনও। বিদ্যালয়ের ক্লাসে পাঠিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনসুর উদ্দিন।
রবিবার দুপুরে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার চাপিতলা ইউনিয়নের পুস্করীনিরপাড় গ্রামের সাহেবের টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।শারমিন আক্তার উপজেলার শ্রীরামপুর ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনির ছাত্রী ও পুস্করীনিপাড় গ্রামের প্রবাসী নাছির উদ্দিনের মেয়ে।বাল্যবিয়ে দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে স্কুলছাত্রীর মা সাজেদা বেগম ওসহযোগিতার অভিযোগে চাচা হাবিবুর রহমান, শাহ আলম ও মোস্তফা প্রত্যেককে ১হাজার করে মোট ৪হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত।
এদিকে শারমিনের মা সাজেদা বেগম মেয়ের ১৮বছর না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দিবেনা বলে ভ্রাম্যমান আদালতের নিকট মুচলেকাপ্রদান করে।ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকতা মমিনুল হক, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পারভীন আক্তার, এসআই মো: মোস্তফা প্রমুখ।
মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহি কমৃকর্তা ও ম্যাজিসস্ট্রেড মোহাম্মদ মনসুর উদ্দিন বলেন, ১৮বছর পূর্ন হওয়ার আগে মেয়েদের স্থান শ^শুর বাড়ী নয় বিদ্যালয়। একজান শিক্ষিত মা একটি শিক্ষিত জাতি গড়তে পারে। বাল্যবিয়ের বন্ধে প্রশাসন সর্বদা সজাগ ও সর্তক রয়েছে।