মাশরাফি ও সাব্বিরের শাস্তিতে অবাক ফেসবুক, টুইটার ব্যবহারকারীরা

বাংলাদেশকে আরও ম্যাচিউর হতে হবে, এভাবে সেলিব্রেশন করা ঠিক হয় নাই৷ অথচ স্বয়ং বাটলারই তাঁর সাক্ষাতকারে বলেছে, খেলার ঐ মুহূর্তে বাংলাদেশের সেলিব্রেশন দেখে সে ইমোশন ধরে রাখতে পারেনি৷ হা হা ইমোশন ধরে রাখতে পারেনি৷ তাইলে, কাদের আরও ম্যাচিউর হতে হবে, বাংলাদেশিদের নাকি ইংলিশদের?”

এই ঘটনায় শাস্তি হিসেবে মাশরাফি আর সাব্বিরকে তাঁদের ম্যাচ ফি’র ২০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে৷ আর বাটলারকে করা হয়েছে তিরস্কার৷ আইসিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, মাশরাফি ও সাব্বির খেলোয়াড়দের জন্য আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টের ২.১.৭ ধারা ভঙ্গ করেছেন।

যা আন্তর্জাতিক ম্যাচে কোনো ক্রিকেটারের আউটের পর তাকে ক্ষ্যাপানো বা তাকে খুঁচিয়ে আগ্রাসী করার মতো ভাষা, কাজ বা অঙ্গভঙ্গি করার সঙ্গে সম্পর্কিত৷ আর বাটলার দোষী ‘আন্তর্জাতিক ম্যাচে আপত্তিকর বা অপমানজনক ভাষা বা অঙ্গভঙ্গী’ করা সম্পর্কিত ২.১.৪ ধারা ভেঙে৷

তবে আইসিসির এই সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছেন ফাতেমা আক্তার তনু৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘এইটা আবার কেমন কথা, উদযাপন করতেই পারে তার জন্য শাস্তি কেন দিবে? অন্য দেশের খেলোয়াড়রাও তো উদযাপন করে৷ আর তাহলে বাটলার কেন শাস্তি পাবে না????”

মুহাম্মদ ফয়সাল লিখেছেন, ‘‘চারিদিকে মগের মুল্লুক বিরাজ করছে৷ দুর্বলদের প্রতি শুধু অবিচার আর অবিচার৷”

আইসিসির এই শাস্তির ঘোষণা উদ্ভট, হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন জুনায়েদ কবীর৷

মো: তাহমিদুল হক লিখেছেন, ‘‘দোষ করল বাটলার; হুমকি দিল স্টোকস আর শাস্তি পেল মাশরাফি ও সাব্বির৷ আইসিসির কি বিচিত্র বিচার!!!”

এখানে তাহমিদুল ইংল্যান্ডের সহ-অধিনায়ক বেন স্টোকসের যে হুমকির কথা বলছেন সেটি তিনি (স্টোকস) দিয়েছেন টুইট করে৷

স্টোকস যে ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন সেটি খেলা শেষে দুই দলের ক্রিকেটারদের হাত মেলানোর সময়কার৷ ভিডিওতে দেখা যায়, বেয়ারস্টো ও তামিম হাত মেলানোর সময় দুজনের মধ্যে ঠোকাঠুকি লেগে যায়৷ সেই সময় পেছনে থাকা স্টোকস তামিমের দিকে তেড়ে যান৷ এমনকি তার বুকেও খোঁচা করেন৷ পরে সাকিব এসে পরিস্থিতি সামাল দেন৷

তামিমের বুকে খোঁচার বিষয়ে জাফর সোবহান স্টোকসের টুইটের নীচে লিখেছেন, ‘‘বেন স্টোকস, তোমাকে আমি কখনও উইন্ডিজ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) খেলোয়াড়দের বুকে খোঁচা দিতে দেখিনি৷” — ডয়েচে বেল