মনপুরা জুটি এবার ঈদ নাটকে

২০০৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেয়েছিল গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত চঞ্চল চৌধুরী ও ফারহানা মিলি অভিনীত চলচ্চিত্র মনপুরা। ব্যাপক দর্শকপ্রিয় এই সিনেমার পর চঞ্চল ও মিলির কাছে তাদের ভক্ত দর্শকের কাছ থেকে অনেক অনুরোধ এসেছে একসাথে আবারো সিনেমায় অভিনয় করার। কিন্তু বিগত প্রায় আট বছরে আর সে সুযোগ হয়নি। কিন্তু দর্শককে যে তারা একেবারে নিরাশ করেছেন, তা নয়।

বড় পর্দায় এই জুটিকে আর দেখা না গেলেও মনপুরাখ্যাত এ জুটিকে এরপর বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করতে দেখা গেছে। এবারের ঈদেও চঞ্চল চৌধুরী ও ফারহানা মিলিকে একটি একক নাটক ও একটি ঈদ ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করতে দেখা গেছে। চঞ্চল মিলি এবারই প্রথম বৃন্দাবন দাসের রচনায় একসাথে অভিনয় করেছেন। নাটকের নাম ‘মার্কামারা’। এটি নির্মাণ করেছেন অভিজ্ঞ ক্যামেরাম্যান নিয়াজ মাহবুব।

নিয়াজ এর আগেও বেশ কয়েকটি নাটক নির্মাণ করেছেন। এ দিকে চঞ্চল ও মিলিকে ঈদে ছয় পর্বের ধারাবাহিক নাটক ‘কথা কম কাজ বেশি’তে দেখা গেছে। এটি নির্মাণ করেছেন উজ্জ্বল মাহমুদ। আবারো ফারহানা মিলির সঙ্গে অভিনয় করা প্রসঙ্গে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘এবারই প্রথম আমি আর মিলি বৃন্দাবন দাদার স্ক্রিপ্টে কাজ করেছি। গল্পটা বেশ ভালো।

সত্যি বলতে কি মিলি একজন পরীক্ষিত, প্রমাণিত অভিনেত্রী। মনপুরাতেই শুধু নয়, অনেক নাটকেই মিলির পারফরম্যান্স বেশ প্রশংসনীয়। থিয়েটার থেকে আসা একজন শিল্পী মিলি; যে কারণে অভিনয়টা তার সহজাত। তার সাথে কাজ করে সবসময়ই আমার ভালো লাগে। ’

ফারহানা মিলি বলেন, ‘অনেক সিরিয়াস একজন অভিনেতা চঞ্চল ভাই। আমি মনপুরার সময় থেকেই দেখে আসছি যে তিনি যে চরিত্রটিতে অভিনয় করেন তা তিনি শুটিংস্পটে শুরু থেকেই নিজের মধ্যে লালন করার চেষ্টা করেন। চরিত্রের ভেতরে শুটিং শুরু হওয়ার অনেক আগেই নিজের মধ্যে তা নেয়ার চেষ্টা করেন।

এটা কিন্তু একজন শিল্পীর জন্য খুব জরুরি। তার কাছ থেকে এ বিষয়টি আমার বিশেষভাবে শেখা। আমি নিজেও লোকেশনে চরিত্রের মধ্যেই থাকার চেষ্টা করি। শুটিংয়ের সময় তিনি দারুণ সহযোগিতা করেন।’ — নয়া দিগন্ত