‘পুরো দলই এখন আপসেট’

ব্যাটিংয়ে নামার আগে ৩১০ রানের লক্ষ্য কঠিন মনে হওয়াটাই হয়তো স্বাভাবিক ছিলো। যদিও জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিং শুরু করার পর পথটা খুব কঠিন দেখায়নি। ৩১০ রানের সীমানাও বেশি দূরের পথ মনে হয়নি। সেঞ্চুরিয়ান ইমরুল কায়েস ও সাকিব আল হাসানের ব্যাটিংয়ে একটা সময় জয় হয়ে উঠেছিলো সময়ের ব্যাপার।

হাতে পাঁচ উইকেট থাকা বাংলাদেশের দরকার ছিলো ৫১ বলে ৩৯ রান। তখনও উইকেটে ছিলেন ইমরুল ও সাকিব। ৭৯ রান করে সাকিব ফেরার পরই যেন সব উলট পালট হয়ে যায়। এই সামান্য পথ আর পাড়ি দেয়া হয়নি। ১৭ রান তুলতেই বাকি পাঁচ উইকেট হাওয়া। শেষপর্যন্ত বাংলাদেশের সঙ্গী ২১ রানের চরম হাতাশার এক হার।

এমন হার হজম করা ঠিক কতোটা কঠিন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাও ভাষা দিয়ে বলতে পারলেন না। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে মলিন চেহারার মাশরাফি বললেন, ‘এই ম্যাচ অবশ্যই আমাদের দিকে আসার কথা ছিলো। অন্যভাবে চেষ্টা করলে হতে পারতো। তবে দোষ দিয়ে লাভ নেই। বারবার এমন হচ্ছে। এর আগেও এমন হয়েছে। এখান থেকে ঘুড়ে দাঁড়াতে না পারলে, আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে।’

আফগানিস্তানের সাথেও শেষের দিকে বাংলাদেশের ব্যাটিং হুড়মুড়িয়ে ভেঙ্গে পড়েছে। সহজ জয় হয়ে উঠেছে কঠিন। বড় সংগ্রহর সম্ভাবনা থেমে গেছে হঠাৎ করেই। একই কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হাতের মুঠোয় চলে আসা জয় ফসকে গেলো। এমন হারে মুষড়ে পড়েছে পুরো দল। মাশরাফি বলছেন, ‘এটা যে কারো জায়গা থেকেই হতাশার। এটা কারো একার ব্যাপার না। পুরো দলই এখন আপসেট।’

ধৈর্য্য না ধরার কারণেই এমন হার মেনে নিতে হয়েছে বলে মনে করেন মাশরাফি, ‘যখন ৭-৮ করে লাগতো তখন আমরা এভাবে ব্যাটিং করতে পারতাম। কিন্তু যখন আমাদের ৫ করে লাগবে তখন আমাদের আরো ধৈর্য্যশীল ব্যাটিং করা লাগতো। এটা আসলে সব সময় একই রকম যায় না। এখানে হয়তো কিছু ভালো জিনিস হয়েছে। এগুলো পরের ম্যাচে কাজে লাগাতে পারলে সামনে হয়তো ভালো কিছুই হবে।’ — প্রিয়