পাকিস্তান অশিক্ষিত, উন্মাদে ভরা, ভারতকে শত্রু বানিয়ে নিজের দেশেই প্রশ্নের মুখে শরিফ

ভারতের সেনাঘাঁটিতে জঙ্গি হামলা হয়েছে, ভারত সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে বদলা নিয়েছে। কিন্তু সেটাকেই দেশের অপমান বলে ধরে নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জিগির তুলছে পাক সরকার। মন্ত্রীরাই পরমাণু হামলার হুমকি দিচ্ছেন। এটাকে আত্মহত্যার সামিল বলছেন সে দেশের বিশেষজ্ঞই।

ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান পরমাণু হামলা চালালে সেটা ইসলামবাদের পক্ষে আত্মহত্যার সামিল হবে। এই ভাবেই পাক সরকারকে সতর্ক করেছেন সে দেশের বিখ্যাত সাংবাদিক তথা রাজনৈতিক বিশ্লেষক হামিদ নিসার। ভারতের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধের জিগির তুললে পাকিস্তান পৃথিবীর মানচিত্র থেকে চিরতরে মুছে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন হামিদ নিসার।

সম্প্রতি হামিদ নিসার পাকিস্তানের একটি বেসরকারি টিভির অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আক্রমণ করেছেন। ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরেই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা মহম্মদ আসিফ ভারতে পরমাণু হামলার হুমকি দেন। তার আগে মার্কিন রিপোর্টে উঠে আসে, ভারতের দিকে ১৩০টি পরমাণু বোমা তাক করে রেখেছে পাকিস্তান। এ সবের মধ্যেই জামাত-উদ-দাওয়া প্রধান হাফিজ সইদ ভারতকে শিক্ষা দেওয়ার দাবি তুলেছেন।

জবাবে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বলেছেন, ‘পরমাণু যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হলে, পাকিস্তানকে চড়া মূল্য চোকাতে হবে।’ সেই প্রসঙ্গে একটি পাক টেলিভিশন চ্যানেলে টক শোয়ে হাজির হয়ে হাসান নিসার বলেন, ‘বার বার খুঁচিয়ে আমরা ভারতকে শত্রু বানিয়ে ফেলেছি। এটা অকারণেই করা হয়েছে।’ এই মন্তব্যের পরেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের তীব্র নিন্দা করেন নিসার। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানে এক দল অশিক্ষিত লোক রয়েছেন। তাঁরা জানেনই না যে, পরমাণু বোমা মানে কী।’

নিসার ওই অনুষ্ঠানে ব্যাখ্যা করে বলেন, ভারতের ১০০ কোটিরও বেশি মানুষের বাস। সেখানে পাকিস্তানের জন্যসংখ্যা মাত্র ১৮ কোটি। ভারত পরমাণু আক্রমণ চালিয়ে গোটা পাকিস্তানের জনস্যংখ্যাকে সম্পূর্ণ মুছে দিতে পারে, কিন্তু আমরা তার চার গুণ আক্রমণ চালালেও ভারতীয় জনসংখ্যাকে মুখে ফেলতে পারবে না। কোটি কোটি মানুষ ভারতে রয়ে যাবেন দেশ চালানোর জন্য। কিন্তু পাকিস্তানে একজনও অবশিষ্ট থাকবেন না। পাকিস্তান মুছে যাবে।’ এখানেও থামেননি হাসান নিসার। এর পরেও তিনি শরিফ সরকারকে টার্গেট করে বলেন, ‘আমাদের পাকিস্তানে বিরাট সংখ্যক উন্মাদ রয়েছ, যারা নিজেদের ধ্বংসের কথা ভেবে উল্লসিত হয়।’ — এবেলা