Monday, July 22, 2024

দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাব : প্রধানমন্ত্রী

রোববার (১৬ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর ‘অধ্যক্ষ সম্মিলন ও বৃত্তি প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি এবং দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাব।

তিনি বলেন, অনেক ঝড় ঝাপটা থাকলেও গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত ও স্থিতিশীল সরকার আছে বলেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশে উন্নীত করতে চাই। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে ‘যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ আঁশ’ কাজ করে যাব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট সময়ে আমরা দেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করতে পেরেছি, আমরা নির্বাচনী ওয়াদা রক্ষা করি। আমরা বাংলাদেশকে যে বদলে দিতে চেয়েছিলাম, সেটা করতে পেরেছি। শুধু শিক্ষা নয়, সার্বিকভাবে দেশকে উন্নত করতে পেরেছি। যার কারণে দেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। পরনির্ভরশীলতা থেকে আত্মমর্যাদাশীল হতে হবে।

অনুষ্ঠানে চারটি বিষয়ে মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালুসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল মাস্টারপ্ল্যান উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী অস্বচ্ছল ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বৃত্তির চেক তুলে দেন সরকারপ্রধান।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, এখন পর্যন্ত শিক্ষায় সর্বোচ্চ ২১ দশমিক এক ছয় শতাংশ বরাদ্দ করে নজির স্থাপন করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু। বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয় বলে চলতি অর্থবছরেও বরাদ্দ রেখেছে ৮৮ হাজার কোটি টাকার বেশি।

তিনি বলেন, ১/১১’র ইমার্জেন্সি আসার পর আমাকেই আগে গ্রে’ফতার করা হয়। কিন্তু আমি আত্মবিশ্বাস হারাইনি। তখন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে, গণস্বাক্ষর পাঠানো হয় প্রধান উপদেষ্টার কাছে। আন্তর্জাতিক চাপও তৈরি হয়। তারা বাধ্য হয়েছিল নির্বাচন দিতে। কখনো ঘাবড়াইনি, আত্মবিশ্বাস ছিল দেশের মানুষের ওপর। নানা প্রলোভন দেয়া হয়। নির্বাচন করবেন না, আপনাকে প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদায় রাখা হবে–এমন প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। বলেছিলাম আমাকে এসব লোভ দেখিয়ে লাভ নেই।

এই সম্পর্কিত আরও খবর

সর্বশেষ আপডেট