দলে খুব বেশি পরিবর্তন থাকছে না : নান্নু

৩০ সদস্যের প্রাথমিক দল থেকে কমিয়ে ঈদের আগে ২০ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ওই সময় বাংলাদেশ দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু জানিয়েছিলেন, ১৮ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হবে আফগানদের বিপক্ষে চূড়ান্ত স্কোয়াড। অনিবার্য কারণে তা করতে পারছে না তারা। তবে ২০-২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এ স্কোয়াড ঘোষণা করা হবে বলে জানালেন তিনি।

‘কালই দল দেওয়ার কথা ছিল। তবে কথা থাকলেও, তা দেওয়া যাচ্ছে না। আশা করছি ২০ অথবা ২১ তারিখের মধ্যে ১৪ জনের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করে দিব।’

তবে ১৪ জনের স্কোয়াড ঘোষণা করলেও ম্যাচের সময় ১৪ জনকে ধরে রাখবেন না তারা। আফগানিস্তান সিরিজের সময়ই শুরু হবে জাতীয় লিগ। তাই একজন খেলোয়াড়কে ছেড়ে দিয়ে জাতীয় লিগ খেলার সুযোগ দিতে চান নির্বাচকরা।

‘ম্যাচের সময় দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ খেলোয়াড় ঘোষণা করা হয়। বাড়তি দুই জনের বেশি লাগেও না। তাই খেলোয়াড়দের ম্যাচে রাখতে আমরা প্রতি ম্যাচের আগের দিন একজন করে খেলোয়াড় ছেড়ে দিবো। যাতে সে জাতীয় লিগ খেলতে পারে। এটা তিন ম্যাচে তিন জনও হতে পারে।’

আগেই নান্নু জানিয়েছিলেন, আফগানদের বিপক্ষে কোন পরীক্ষা-নীরিক্ষায় যাবেন না তারা। তবে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে এ সিরিজেই অভিষেক হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের। এছাড়াও প্রিমিয়ার লিগে দারুণ পারফরম্যান্স করায় মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের নামও শোনা যাচ্ছে জোরেশোরে।

এছাড়া তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের সঙ্গে বাড়তি একজন ওপেনারের বিবেচনায় এগিয়ে আছে এনামুল হক বিজয়ের নাম। তবে কে দলে ঢুকবেন ইমরুল কায়েস না বিজয়- তা শেষ মুহূর্তে কোচের সিদ্ধান্তেই আসতে পারে বলে জানান নান্নু।

এছাড়াও নির্বাচকদের ঘাম ঝরাতে হচ্ছে সাকিবের সঙ্গী নির্বাচনে। বাঁ-হাতি স্পিনারদের মধ্যে সাকিবের সঙ্গী হিসেবে হঠাৎই ক্যাম্পে ডাকা হয় মোশাররফ হোসেন রুবেলকে। এছাড়াও তাইজুল ইসলামকেও রাখা হয়েছে এ বিবেচনায়। তবে বিষয়টি অনেকটাই নির্ভর করছে কোচের সিদ্ধান্তের ওপর। এমনটাই জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক।

‘দলে খুব বেশি পরিবর্তন থাকছে না। তৃতীয় ওপেনার হিসেবে ইমরুলের জায়গায় বিজয়কে দেখা যেতে পারে। তবে কোচ যাকে পছন্দ করবেন তাকেই রাখা হবে। এছাড়াও মোশাররফ রুবেল আর তাইজুলের মধ্যে কে থাকছে তা কোচের সঙ্গে আলোচনা করে একজনকে রাখবো।’ — জাগোনিউজ