টুইটারে তামিমকে ইঙ্গিত করে স্টোকসের হুমকি

পরিসংখ্যান ঘাটলে দেখা যায়, গত ১৮ মাসে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের দাপুটে সময় কাটিয়েছে। এই সময়টায় দুই দলই নিজেদের ঘরের মাঠে অপরাজিত ছিল।

দুই সেরা দলের লড়াইয়ে বাড়তি উত্তেজনা থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। সেটাই দেখা গিয়েছিল মিরপুরের প্রথম ওয়ানডেতে। উইকেটে থিতু হওয়া ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েসকে আউট করতে না পেরে আক্রোশে ফেটে পড়েন অলরাউন্ডার বেন স্টোকস।

ইমরুল সেবার ফিরে কিছু না বললেও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দুই পক্ষই বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। লো স্লোরিং ম্যাচ ও টাইগারদের দুর্দান্ত লড়াই, সব মিলিয়ে ক্রিকেটরা কিছুটা হলেও লাগামছাড়া আচরন করেছেন।

ম্যাচের বয়স যখন ২৮ ওভারে, ক্রিজে ৫৭ রান নিয়ে ব্যাটিং করছিলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জস বাটলার। উইকেটে থিতু হওয়া ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টকে তাসকিন সাজঘরে ফেরালে সঙ্গি হারা বাটলারেই ব্যাটেই ইংলিশদের জয়ের শেষ আশা ছিল।

কিন্তু তাসকিন সুইংয়ে পরাস্ত হওয়া বাটলার লেগ বিফর আউট হওয়ার পর বুনো উল্লাসে মাতে মাশরাফি-তাসকিনরা। বাদ যাননি সাধারনত শান্তশিষ্ট মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও।

টাইগারদের উল্লাস সহ্য হয়নি সাজঘরের পথে ফেরা বাটলারের। তাই তো ক্ষেপে গিয়ে টাইগারদের উদ্দেশ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করেন বাটলার। পরে আম্পায়ারের হস্তক্ষেপ পরিস্থিত শান্ত হয়।

ঘটনার এখানেই শেষ নয়। ম্যাচ শেষে নিয়ম অনুযায়ী ইংল্যান্ড দলের ক্রিকেটারদের সাথে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা হাত মেলাতে আসলে তামিম ইকবালের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় ইংলিশ অলরাউন্ডার বেন স্টোকসকে।

শুধু তাই নয়, তামিমকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলতেও দেখা গেছে স্টোকসকে। অবশ্য তামিমও ছেড়ে কথা বলেননি, তাঁকেও কিছু একটা বলতে শোনা গেছে।

বেন স্টোকস ম্যাচ শেষে এই ইস্যু নিয়ে নিজের টুইটারের পাতায় লিখেছেন, ‘253267আজকের জয়ে বাংলাদেশকে অভিনন্দন, তারা আমাদের আজ সব ডিপার্টমেন্টে হারিয়েছে। কিন্তু আমার দলের কারও সাথে হ্যান্ডশেকের সময় কাঁধে ধাক্কা দিলে সেটা আমি সমর্থন করব না।’