টাইগার দলে এই ৫ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান!

সাকিব আর তাইজুল ছাড়া দলে আর কোন স্পেশালিষ্ট স্পিনার নেই, তাই তিন পেসার নিয়ে খেলার অর্থ, একজন ব্যাটসম্যান কাম অফস্পিনার অলরাউন্ডার কমে যাওয়া।

সে কারণেই আজকের ম্যাচে নেই ঐ ক্যাটাগরির দুই পারফর্মার নাসির হোসেন ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তাদের বদলে টপ অর্ডারে ইমরুল কায়েস।

কিন্তু টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সাব্বির তিন নম্বরে খেলেছেন। গত বিশ্বকাপে সৌম্য, মাহমুদউল্লাহ ওপরে খেলে রান পেয়েছেন। তাদের কাউকে ওপরে ঠেলে সৈকত আর নাসিরের কাউকে নেয়া যেত না? এমন প্রশ্ন কিন্তু উঠবে। আগে ভাগেই বলে দেয়া যায়, সে প্রশ্নের জবাবে অধিনায়ক মাশরাফি , কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে আর প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলবেন, ‘টিম কম্বিনেশনের কারণেই তা হয়নি। এর বাইরে আরও একটি কারণ আছে।’

আফগানের একাদশে আছেন তিন লেগস্পিনার রশিদ খান, রহমত শাহ ও সামিউল্লাহ শেরওয়ানি। তারা তিনজন মিলে হয়ত ২০ ওভারের মত বোলিং করবেন। কাজেই ঐ তিন লেগস্পিনারের শক্তি ও ধরা কমাতেই বাংলাদেশ লাইন আপে একজন বাড়তি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান খেলানো।

জাগো নিউজের পাঠকদের চুপি চুপি একট কথা বলে দেই, শনিবার অফিসিয়াল প্রেস মিট শেষ করে শেরে বাংলার কনফারেন্স হল থেকে মাঠ হয়ে ড্রেসিং রুমে যাবার পথে ক`জন সাংবাদিকের (জাগো নিউজের প্রতিনিধিও ছিলেন তাতে) সঙ্গে একান্ত ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় মাশরাফি বিন মর্তুজা একটি তাৎপর্যপূর্ণ কথা বলেছেন, `আফগানরা দু`জন লেগি খেলাবেতো। খেলাক।

আমাদেরও একাদশে এমনিতেই চারজন বাঁহাতি (তামিম, সৌম্য, সাকিব ও তাসকিন ) আছে। এরপর চোখে মুখে রহস্যর ছোয়া এনে টাইগার অধিনায়কের রসিকতা মাখানো সংলাপ, ‘আরো একজন আছে ! এই বলে থেমে যাওয়া।’

পরে জানা গেলো সেই একজনের নাম ইমরুল কায়েস। বলার অপেক্ষা রাখে না, ফ্রন্টলাইনারও বাঁহাতি। তার মানে মাশরাফির দলের ১১ জনের পাঁচজন বাঁহাতি। লেগস্পিনারের বিরুদ্ধে বাঁহাতিরা স্বচ্ছন্দে খেলেন, তার জন্য সেটা অফস্পিন হয়ে আসে। এটা সবার জানা।

ভুরি ভুরি প্রমান আছে, বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ক্রিজে থাকলে লেগিদের কার্যকরিতা কম হয়। শেন ওয়ার্ন, আব্দুল কাদির আর অনিল কুম্বলের মত বিশ্বসেরা লেগ স্পিনারদেরও বাঁহাতিদের বিরুদ্ধে সাফল্য তুলনামুলক কম।

মোট কথা, লেগিদের বিপক্ষে বাঁহাতি ব্যাটম্যানকে ভাবা হয় অব্যর্থ টাওয়াই। আজ সে কৌশল এঁটেই নামবে বাংলাদেশ। কাজেই তিন পেসার ফর্মুলার পাশাপাশি দুই ডান হাতি মোসোদ্দেক ও নাসিরকে বসিয়ে বাঁহাতি ইমরুলকে খেলানোর এটাও একটা কারণ। — জাগো নিউজ