ওয়ালশ প্রসঙ্গে মুস্তাফিজের লা জবাব …

সুস্থ থাকলে তিনিই হতেন একাদশের অটোমেটিক চয়েস। কিন্তু চোট আর পুনর্বাসন মিলিয়ে আপাতত জাতীয় দলের সঙ্গহীন সময় কাটছে মুস্তাফিজুর রহমানের। ঠিক সেই সময়ে সতীর্থরা ঘাম ঝরাচ্ছেন আন্তর্জাতিক ম্যাচে নামার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে।

তবে দলের বাইরে থাকার সময়টাকে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ ধরে নিয়ে সামনে তাকাতে চান ফিজ। সেজন্য চোখ কয়েকদিনের মাঝে শুরু হতে যাওয়া চূড়ান্ত পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার দিকেই।

সতীর্থদের অনুশীলন দেখতে প্রায়ই শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে হাজির হচ্ছেন কাটার মাস্টার। সোমবার তারই এক ফাঁকে কথা বলেছেন সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে।

জানালেন কাঁধের চোট পরবর্তী মূল পুনর্বাসনের দিনক্ষণ নিয়েও, ‘কোনো কিছুই এখনো চূড়ান্ত নয়, বিসিবির ডাক্তাররাও চূড়ান্ত কিছু জানাননি, তবে আগামী ২-৩ দিনের মধ্যেই মূল পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে।’

সপ্তাহান্তেই ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। তারপরই লড়াই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। মুস্তাফিজের খেলা হচ্ছে না কোনোটাতেই। একটু খারাপ লাগলেও সেটি খুব ভাবায় না ফিজকে। জীবনে ভালো-মন্দ দুটো দিকই থাকে।

মুস্তাফিজও সেই দর্শনেই বিশ্বাসী। দলের বাইরে থেকে সতীর্থদের অনুশীলন দেখার অভিজ্ঞতা নিয়েও বেশি বলার নেই তার। কেবল জানালেন, ‘আমি ছোট মানুষ, তাই উত্তর নেই!’

সম্প্রতি টাইগারদের বোলিং কোচ হয়ে এসেছেন ক্যারিবীয় গ্রেট কোর্টনি ওয়ালশ। তার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিস্ময়কর এক অভিজ্ঞতাই উপহার দিলেন কাটার মাস্টার।

তার বল যেমন ব্যাটসম্যানদের কাছে দুর্বোধ্য লাগে, ওয়ালশ প্রসঙ্গে করা প্রশ্নটিও তেমনি দুর্বোধ্য ঠেকেছে মুস্তাফিজের কাছে। তাই কেবল ঠোঁটের কোনায় হাসি ধরে রেখে জানালেন, ‘অনেক কঠিন প্রশ্ন!’

মুস্তাফিজের কাছে জানার ছিল অনেক কিছুই। কিন্তু সংবাদকর্মীদের জন্য খুব একটা বাক্য ব্যয় করলেন না এই পেসার। অস্ত্রোপচারের পর প্রায় ছয় সপ্তাহের মতো কেটে গেছে, এখন চূড়ান্ত ধাপ।

আপাতত তাই মনের ওপর অন্যকোনো চাপ না নিয়ে পূর্ণ মনোযোগ দিতে চান মাঠে ফেরার পরিশ্রমের প্রতি। সেজন্য অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে চোটে পরে যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন, সেটাকে শক্তি হিসেবে নিয়ে দলে ফেরার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেতে চান।