এখনও সক্রিয় নব্য জেএমবির শীর্ষ ১৫ জঙ্গি

ব্যাপক-ধড়পাকড়ের পরও জেএমবির শীর্ষস্থানীয় অন্তত ১৫ জঙ্গি এখনও সক্রিয় বলে মনে করছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। দুর্বল হয়ে পড়া সংগঠনটির হাল ধরেছেন পলাতক জঙ্গি নূরুল ইসলাম ওরফে মারজান। তার সব কাজে সহযোগিতা দিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ বাসারুজ্জামান ওরফে রাহুল।

সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া পুরুষ ও নারী জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং আরও কিছু দলিলপত্র থেকে পুলিশ এই ১৫ জনকে সনাক্ত করে।

গুলশান হামলার পর পুলিশের সাড়াশি অভিযানে নব্য জেএমবির মুল সমন্বয়ক তামীম আহমেদ চৌধুরী, সামরিক প্রশিক্ষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জাহিদুল ইসলাম, অন্যতম সংগঠক তানভীর কাদের ছাড়াও আরো ১২ জঙ্গি নিহত হয় বড়সড় হামলার প্রস্তুতি পর্যায়ে।

এ অবস্থায় পলাতক জঙ্গি মারজানের নেতৃত্বে নতুন করে গড়ে তোলা হয় সাংগঠনের কাঠামো। অপারেশন কমান্ডারের দায়িত্ব পান ভারতে পালিয়ে থাকা রিপন, যিনি ছিলেন উত্তারাঞ্চলের প্রধান। আর এখন উত্তরাঞ্চলের কমান্ডারের দায়িত্ব পেলেন গান্ধী ওরফে রাজীব।

একইভাবে আইটি শাখার মুল কাজ করছে বাসারুজ্জামান ওরফে চকলেট ওরফে রাহুল। সংগঠন গোছানোর দায়িত্বে থাকা খালিদও এখন ভারত-পলাতক জানিয়েছে গোয়েন্দারা। নেতৃস্থানীয় অন্য ১০ জঙ্গির ব্যাপারে গোয়েন্দারা তথ্য পেলেও তা প্রকাশে রাজি নয় এ মুহূর্তে।

গোয়েন্দারা জানান, নব্য জেএমবির প্রথম সারির নেতারা নিহত হওয়ার পরই খুব দ্রুত দ্বিতীয় সারির নেতাকে বুঝিয়ে দেয়া হয় দায়িত্ব। শীর্ষ পদগুলো কখনো ফাঁকা থাকে না বেশি সময়। এজন্য তারা কার পর কে আসবে নেতৃত্বে তা ঠিক করা থাকে আগেভাগে

সম্প্রতি বড়মাপের ১৫ নেতা নিহত হওয়ার পর নব্য জেএমবি তাদের বিভিন্ন সাংগঠনিক বিভাগকে সাজাচ্ছে নতুন করে। আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীতে তাদের পাকড়াও করতে নিচ্ছে নিত্য নতুন কৌশল। — INDEPENDENT TV