আশা জাগিয়েও হেরে গেল টাইগাররা

ফতুল্লায় প্রস্তুতি ম্যাচে আশা জাগিয়েও জয় পেল না ইমরুল-নাসিররা। ইংল্যান্ডের কাছে শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হারতে হয়েছে টাইগারদের।

৩১০ রানের লক্ষ্য ২৩ বল বাকি রেখেই টপকে যায় ইংলিশরা।  লক্ষ্যে খেলতে নেমে দ্রুত উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়লেও বাটলার ও মঈন আলীর ব্যাটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

৩১০ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো করে ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা। ওপেনিংয়ে ৭২ রানের জুটি গড়েন জেসন রয় ও জেমস ভিন্স। কিন্তু এবাদত হোসেনের অসাধারণ বোলিংয়ে পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। ভিন্সের ব্যাট থেকে আসে ৪৮ রান।

মাঝে বেন ডাকেট, জনি বেয়ারস্টো ও বেন স্টোকস দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছালেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ফলে ১৭০ রানে পাঁচ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। ডাকেটকে বোল্ড করেন শুভাগত হোম। আর বেয়ারস্টো কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানের শিকার হন। পরে স্টোকসকে সরাসরি বোল্ড করেন ইংল্যান্ড সিরিজে ডাক পাওয়া আল-আমিন হোসেন।

এরপর হাফসেঞ্চুরি তুলে খেলা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন বাটলার ও মঈন। এই জুটি ১৩৯ রান করে দলকে জেতান। যদিও ম্যাচ যখন টাই ঠিক তখনই ৭০ রান করা মঈনকে আউট করেন সানজামুল ইসলাম। বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যান ৫১ বলে আট চার ও দুই ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান। বাটলার ৬৪ বলে তিন চার ও চারটি ছক্কায় ৮০ রান করে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে দলীয় ৩৫ রানের মাথায় মাত্র ৭ রান করে ওকসের বলে বাটলারের হাতে ক্যাচ হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার সৌম্য। তবে ওয়ান ডাউনে নামা নাজমুল হাসান শান্তের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় দলকে অনেক দূর এগিয়ে দেন আরেক ওপেনার ইমরুল কায়েস। ব্যক্তিগত ৩৬ রান করে আদিল রশিদের শিকার হন নাজমুল হাসান শান্ত।

বিসিবি একাদশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন মুশফিকুর রহিম। এছাড়া নাসির হোসেন ৪৬ রান করেন।

এদিকে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুন এক সেঞ্চুরিতে নিজের জাত চিনিয়েছেন ইমরুল কায়েস। ৮১ বলে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। ব্যক্তিগত ১২১ রান করে ডেভি উইলির বলে বোল্ড হয়েছেন ইমরুল। ৯১ বল মোকাবেলায় ১১ চার ও ৬ ছক্কায় এ ইনিংসটি উপহার দেন তিনি।