আরো ধাঁরালো ও গতি দিয়ে মুস্তাফিজের অভাব পূরণ করবেন স্পিড ষ্টার তাসকিন

খবরটা যখন পান তখন মিরপুরে অনুশীলনে ব্যস্ত তাসকিন। খবর জেনে শুরুতেই ফোন দেন তাসকিন তার বাবা-মাকে। আইসিসি যখন থেকে তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ ঘোষণা করলো তখন থেকেই দুঃচিন্তায় ঘুম নেই তাসকিনের বাবা-মায়ের। তাইতো ছেলে খবরটা জেনেই প্রথমে বাবা-মাকে ফোন করেন।

তাসকিনই পরে জানিয়েছিলেন বিষয়টি, ‘প্রথমে বাবা-মকে ফোন দেই। দুজন তো খুশিতে আত্মহারা। দুজনই খুব টেনশনে ছিল। অনেকদিন পর তারা মন খুলে হাসতে পারছে।’

তার অ্যাকশনের ত্রুটি সংশোধনের সময়গুলোতে জাতীয় দলের কোচিং ষ্টাফরা সহযোগিতা করেছে বলে তাদের ধন্যবাদ দিয়ে তাসকিন বলেছেন, ‘জাতীয় দলের কোচিং স্টাফ সবাই খুব সহায়তা করেছে। বিশেষ করে মাহবুবুল আলী জাকি স্যারকে ধন্যবাদ। উনি আমার সঙ্গে ৫ মাস ছিলেন। সব কোচকে ধন্যবাদ। তবে জাকি স্যারের প্রতি বেশি কৃতজ্ঞ। ঘরে ৬ ফুটের একটা আয়না সেট করে দিয়েছেন তিনি নিজেই।’

সবকিছু ছাড়িয়ে তাসকিন মনে করেন দেশবাসীর দোয়ার কারণেই তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসতে পেরেছেন, ‘দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ। নিষেধজ্ঞা দেওয়ার পর আমার জন্য হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলেন। তাদের সবার দোয়াতে আমি ফিরে আসতে পেরেছি। খেলার মাধ্যমে চেষ্টা করব আপনাদের মুখে আবার হাসি ফোটতে।’

আফগানিস্তানের বিপক্ষে সুযোগ পেলে নিজের শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করবেন তাসকিন আহমেদ। শুধু তাই নয়, গতি বাড়িয়ে মুস্তাফিজের অভাব পূরণ করবেন বলেও জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আফগানিস্তান সিরিজে সুযোগ পেলে শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করব। সবাই আমার কাছ থেকে অনেক আশা করছে। আমি ভাগ্যবান আমার কোনও সিরিজ মিস হয়নি। দলের অন্যতম সেরা বোলার মুস্তাফিজ নেই; চেষ্টা করব তার শূন্যতা পূরণের।’

আগের ধার কমবে না বলে আত্মবিশ্বাসী তাসিকন-এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আমি এই কথায় বিশ্বাসী নই। সব কিছু নিজের কাছে। আগের চেয়ে ভালো কিছুও হতে পারে।’

ঈদের চেয়ে বেশি আনন্দ তাসকিনের মনে। সবকিছু ছাপিয়ে যে আনন্দ, সেটা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে পর পর দুটি সিরিজ জয়। তাসকিন বললেন, ‘জয় তো সব সময়ই স্পেশাল। নিষেধাজ্ঞার পর সিরিজ দুটি যদি জিততে পারি, সেটি আরও স্পেশাল হবে।’ : বাংলা ট্রিবিউন