আমাকে নিয়ে যে আলোচনা হয়েছে, এতেই আমি খুশি : শাহরিয়ার নাফীস

তিন বছর পর জাতীয় দলে ফেরার কাছাকাছি চলে এসেছিলেন। খোদ বোর্ড সভাপতিই আশ্বাস দিয়েছিলেন, শাহরিয়ার নাফীসকে হয়তো নিউজিল্যান্ড সফরের বা অস্ট্রেলিয়ায় ক্যাম্পের দলে পুনর্বিবেচনা করা হবে। শেষ অবধি নাফীসকে হতাশই হতে হয়েছে।

তবে গতকালই জাতীয় লিগ সামনে রেখে অনুশীলন শুরু করে দেওয়া নাফীস বললেন, তিনি হতাশ নন, ‘না হতাশ হইনি। কারণ বিপিএল শুরুর আগেই কিন্তু ২২ সদস্যের জাতীয় দল ঘোষণা করেছিল।

এরপর বিপিএলে আল্লাহর রহমতে যে রকম পারফরম্যান্স হয়েছে আর তাতে আমাকে নিয়ে যে আলোচনা হয়েছে, এতেই আমি খুশি। কারণ একটা স্কোয়াড ঘোষণা করার পর বোর্ড সভাপতি বললেন যোগ করা যায় কিনা চিন্তা করছেন।’

বাহাতি এই ওপেনার বলছেন, যে আলোচনায় তিনি এসেছেন সেটাই তাকে যথেষ্ঠ অনুপ্রেরণা দিচ্ছে, ‘আমার জন্য এটাই যথেষ্ট অনুপ্রেরণাদায়ক। এতে বোঝা যায় হয়তো আমি খুব বেশি দূরে নেই। এখন আমার কাজ ফিটনেস এবং ফর্ম ধরে রাখা।

ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করা। বাংলাদেশ দল ভালো করছে। বাংলাদেশ দলে যদি জায়গা খালি হয় যেন আমার নামটা সবার আগে আসে ওইরকম একটা অবস্থা তৈরি করে রাখা আমার লক্ষ্য।’

বরিশাল বুলসের হয়ে বিপিএলে ১২ ম্যাচে তিনটি হাফ সেঞ্চুরিসহ ২৯২ রান করেছেন শাহরিয়ার। বিপিএল শেষ করেই অনুশীলনে নেমেছেন তিনি। সামনেই এনসিএল শুরু হবে। টি-টোয়েন্টি থেকে গিয়ে খেলতে হবে চারদিনের ম্যাচ।

এই ফরম্যাটের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতেই এক সপ্তাহ বিশ্রামের পর অনুশীলন শুরু করেছেন বাংলাদেশের হয়ে ২৪ টেস্ট ও ৭৫ ওয়ানডে খেলা এই ওপেনার।

এনসিএলে পরের তিন রাউন্ডে নিজের টার্গেট জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘যেহেতু বরিশাল বিভাগ আমরা টপে আছি, আমাদের টার্গেট দলগতভাবে টপে থেকে মৌসুমটা শেষ করা। আর ব্যক্তিগতভাবে প্রতিটা ইনিংসে দলের জন্য অবদান রাখতে চাই।

জাতীয় লিগে এখন পর্যন্ত চারটা ইনিংস খেলেছি। চারটাই ভালো হয়েছে। যে ধারাবাহিকতা আছে সেটা ধরে রাখার চেষ্টা করব। আল্লাহ যদি সহায় হন ওটাই ধরে রাখতে পারব।’