আফগান ও ইংলিশদের অপেক্ষায় প্রস্তুত টাইগাররা

আসন্ন আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ড সিরিজের জন্য মুখিয়ে রয়েছে টাইগার স্কোয়াডের সকল সদস্যরা। গত বছরের মার্চ এপ্রিলে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটের মধ্যে থাকলেও আন্তর্জাতিক কোনো সিরিজ খেলেনি মাশরাফি সাকিব মুশফিকরা।

তবে দীর্ঘ সময় না খেলার কারণে কোনো প্রকার অসুবিধা হবে না, উল্টো দুই দেশের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টুর্নামেন্ট হবে বলেই জানিয়েছেন টাইগার ক্রিকেটাররা।

নিরাপত্তার অজুহাত ভেঙ্গে ইংল্যান্ড বাংলাদেশ সফর নিশ্চিত করার পর ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি জানিয়েছিলেন, ইংলিশরা শক্তিশালী দল, তাদের সঙ্গে ম্যাচগুলো দারুণ চ্যালেঞ্জিং হবে।

এদিকে আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ড সিরিজে বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং পরামর্শকের দায়িত্ব পালন করবেন থিলান সামারাবিরা।

টাইগারদের নতুন এই ব্যাটিং পরামর্শক জানিয়েছেন, ব্যাটসম্যানদের মানসিকতায় পার্থক্য গড়ে দেওয়ার লক্ষ্য তার।

ঈদের ছুটির পর রোববার আবারো অনুশীলনে ঘাম ঝরান ক্রিকেটাররা। বিকেল থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত চলে মাশরাফি-মুশফিকদের কঠোর অনুশীলন। কৃত্রিম আলোয় এদিন বেশ চনমনে ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।

দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে কেউ ইনডোরে কেউ সেন্ট্রাল উইকেটে চলে যান। প্রত্যেকেই ইনডোরে অনুশীলন করে এসে আবার সেন্ট্রাল উইকেটে অনুশীলন করেছেন। এরপর সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত টাইগারদের ব্যাটিং-বোলিং অনুশীলন চলে। দুই-তিন দফা করে একেক জন ব্যাটিংয়ে নিজেদের ঝালিয়ে নেন।

আঙ্গুলের চোট পাওয়া তামিম ইকবাল প্রথমবার ব্যাট হাতে অনুশীলন করেন প্রায় এক ঘণ্টা। বসে ছিলেন না বোলাররাও। তারাও করেছেন ব্যাটিং অনুশীলন।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের পর পরই ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে ইংল্যান্ড সিরিজ। ওয়ানডে সিরিজের পর ঢাকা-চট্টগ্রামে দুটি টেস্ট খেলবে মুশফিক-সাকিবরা। এরমধ্য দিয়ে প্রায় দশমাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবে বাংলাদেশ।-চ্যানেল আই